sdaFfdsg

shutterstock_58382248

ddএ কথা দ্বিধাহীনভাবে সত্য যে, বর্তমান বাংলাদেশে দীন ও ইলমে দীনকে যথাসম্ভব বিশুদ্ধতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আমানতদারী রক্ষা করে ইসলামের নিখুঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দানের যে কার্যক্রম কওমী মাদ্রাসার মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে সেটি আল্লাহর শোকর তুলনামূলকভাবে অধিকতর শ্রেষ্ঠ, উম্মতের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অধিকতর ফলপ্রসূ। পদ্ধতিগতভাবে এ শিক্ষা ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে শুরু হলেও এ শিক্ষার মূলধারা চলে আসছে খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের মুবারক যুগ থেকে। দীনের সহীহ তালীমের এই স্রোতধারা হয়ত যুগচাহিদার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন গ্রহণ করবে, কিন্তু সহীহ তালীমের ব্যবস্থা কিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ায় অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

দ্বীনী শিক্ষার এই মারকাযগুলোকে আজ বাংলাদেশের কোনো কোনো সমালোচক ভুলবশত অসত্য বিশেষণে চিত্রায়িত করতে চান। এগুলোকে অপ্রয়োজনীয়, বেকার ও বেকারত্ব সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতার আখড়া ইত্যাকার কটুবাক্যে কালিমা লেপন করে এগুলোর ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। এটি বড়ই দুঃখজনক। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে টেনে জোড়াতালি দিয়ে বুঝাতে চান যে, এ সব মাদ্রাসায় পড়ে কোনো চাকরী নকরী পাওয়া যায় না, মনভরে টাকা-পয়সা কামাই করা যায় না, ইচ্ছামত চলাফেরা বা কাজকর্ম করা যায় না তাহলে এইসব প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমাজের কী লাভ? যে যাই মনে করুক বা বলুক, আমাদের মতে কওমী মাদ্রাসার বর্তমান এ শিক্ষাধারা দীনে ইসলামের হেফাজত, লালন ও প্রচার প্রসারের জন্য একটি অতীব জরূরী, বস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ কর্মসূচী। কওমী আলিমগণের জীবনে অভাব অনটন আছে, কিন্তু দুর্নীতি নেই। অনাহার অর্ধহার আছে, কিন্তু শেকায়েত বা চীৎকার নেই। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম দরদ, সম্প্রীতি, সহানুভূতি, পরমতসহিঞ্চুতা ও কল্যাণকামিতা আছে, কিন্তু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, পারষ্পরিক   হানাহানির কোনো কিছু নেই। নিম্মে কওমী মাদ্রাসা পড়ুয়াদের রুজি-রোজগার, কর্মসংস্থান, চিন্তাধারা, তাদের অভাব অনটনের হাকীকত, তাদের মধ্যকার ‘বেকারত্ব’, তাদের শিক্ষাদান-পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষেপে কয়েকটি  বুনিয়াদী বিষয় তুলে ধরা হল।

এ কথা দ্বিধাহীনভাবে সত্য যে, বর্তমান বাংলাদেশে দীন ও ইলমে দীনকে যথাসম্ভব বিশুদ্ধতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আমানতদারী রক্ষা করে ইসলামের নিখুঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দানের যে কার্যক্রম কওমী মাদ্রাসার মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে সেটি আল্লাহর শোকর তুলনামূলকভাবে অধিকতর শ্রেষ্ঠ, উম্মতের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অধিকতর ফলপ্রসূ। পদ্ধতিগতভাবে এ শিক্ষা ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে শুরু হলেও এ শিক্ষার মূলধারা চলে আসছে খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের মুবারক যুগ থেকে। দীনের সহীহ তালীমের এই স্রোতধারা হয়ত যুগচাহিদার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন গ্রহণ করবে, কিন্তু সহীহ তালীমের ব্যবস্থা কিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ায় অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

দ্বীনী শিক্ষার এই মারকাযগুলোকে আজ বাংলাদেশের কোনো কোনো সমালোচক ভুলবশত অসত্য বিশেষণে চিত্রায়িত করতে চান। এগুলোকে অপ্রয়োজনীয়, বেকার ও বেকারত্ব সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতার আখড়া ইত্যাকার কটুবাক্যে কালিমা লেপন করে এগুলোর ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। এটি বড়ই দুঃখজনক। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে টেনে জোড়াতালি দিয়ে বুঝাতে চান যে, এ সব মাদ্রাসায় পড়ে কোনো চাকরী নকরী পাওয়া যায় না, মনভরে টাকা-পয়সা কামাই করা যায় না, ইচ্ছামত চলাফেরা বা কাজকর্ম করা যায় না তাহলে এইসব প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমাজের কী লাভ? যে যাই মনে করুক বা বলুক, আমাদের মতে কওমী মাদ্রাসার বর্তমান এ শিক্ষাধারা দীনে ইসলামের হেফাজত, লালন ও প্রচার প্রসারের জন্য একটি অতীব জরূরী, বস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ কর্মসূচী। কওমী আলিমগণের জীবনে অভাব অনটন আছে, কিন্তু দুর্নীতি নেই। অনাহার অর্ধহার আছে, কিন্তু শেকায়েত বা চীৎকার নেই। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম দরদ, সম্প্রীতি, সহানুভূতি, পরমতসহিঞ্চুতা ও কল্যাণকামিতা আছে, কিন্তু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, পারষ্পরিক   হানাহানির কোনো কিছু নেই। নিম্মে কওমী মাদ্রাসা পড়ুয়াদের রুজি-রোজগার, কর্মসংস্থান, চিন্তাধারা, তাদের অভাব অনটনের হাকীকত, তাদের মধ্যকার ‘বেকারত্ব’, তাদের শিক্ষাদান-পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষেপে কয়েকটি  বুনিয়াদী বিষয় তুলে ধরা হল।       

- See more at: http://localhost/talimuddinsecond/singlepost.php?id=159#sthash.HsX7VTYE.dpuf

এ কথা দ্বিধাহীনভাবে সত্য যে, বর্তমান বাংলাদেশে দীন ও ইলমে দীনকে যথাসম্ভব বিশুদ্ধতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আমানতদারী রক্ষা করে ইসলামের নিখুঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দানের যে কার্যক্রম কওমী মাদ্রাসার মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে সেটি আল্লাহর শোকর তুলনামূলকভাবে অধিকতর শ্রেষ্ঠ, উম্মতের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অধিকতর ফলপ্রসূ। পদ্ধতিগতভাবে এ শিক্ষা ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে শুরু হলেও এ শিক্ষার মূলধারা চলে আসছে খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের মুবারক যুগ থেকে। দীনের সহীহ তালীমের এই স্রোতধারা হয়ত যুগচাহিদার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন গ্রহণ করবে, কিন্তু সহীহ তালীমের ব্যবস্থা কিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ায় অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

দ্বীনী শিক্ষার এই মারকাযগুলোকে আজ বাংলাদেশের কোনো কোনো সমালোচক ভুলবশত অসত্য বিশেষণে চিত্রায়িত করতে চান। এগুলোকে অপ্রয়োজনীয়, বেকার ও বেকারত্ব সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতার আখড়া ইত্যাকার কটুবাক্যে কালিমা লেপন করে এগুলোর ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। এটি বড়ই দুঃখজনক। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে টেনে জোড়াতালি দিয়ে বুঝাতে চান যে, এ সব মাদ্রাসায় পড়ে কোনো চাকরী নকরী পাওয়া যায় না, মনভরে টাকা-পয়সা কামাই করা যায় না, ইচ্ছামত চলাফেরা বা কাজকর্ম করা যায় না তাহলে এইসব প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমাজের কী লাভ? যে যাই মনে করুক বা বলুক, আমাদের মতে কওমী মাদ্রাসার বর্তমান এ শিক্ষাধারা দীনে ইসলামের হেফাজত, লালন ও প্রচার প্রসারের জন্য একটি অতীব জরূরী, বস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ কর্মসূচী। কওমী আলিমগণের জীবনে অভাব অনটন আছে, কিন্তু দুর্নীতি নেই। অনাহার অর্ধহার আছে, কিন্তু শেকায়েত বা চীৎকার নেই। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম দরদ, সম্প্রীতি, সহানুভূতি, পরমতসহিঞ্চুতা ও কল্যাণকামিতা আছে, কিন্তু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, পারষ্পরিক   হানাহানির কোনো কিছু নেই। নিম্মে কওমী মাদ্রাসা পড়ুয়াদের রুজি-রোজগার, কর্মসংস্থান, চিন্তাধারা, তাদের অভাব অনটনের হাকীকত, তাদের মধ্যকার ‘বেকারত্ব’, তাদের শিক্ষাদান-পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষেপে কয়েকটি  বুনিয়াদী বিষয় তুলে ধরা হল।       

- See more at: http://localhost/talimuddinsecond/singlepost.php?id=159#sthash.HsX7VTYE.dpuf

এ কথা দ্বিধাহীনভাবে সত্য যে, বর্তমান বাংলাদেশে দীন ও ইলমে দীনকে যথাসম্ভব বিশুদ্ধতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আমানতদারী রক্ষা করে ইসলামের নিখুঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দানের যে কার্যক্রম কওমী মাদ্রাসার মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে সেটি আল্লাহর শোকর তুলনামূলকভাবে অধিকতর শ্রেষ্ঠ, উম্মতের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অধিকতর ফলপ্রসূ। পদ্ধতিগতভাবে এ শিক্ষা ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে শুরু হলেও এ শিক্ষার মূলধারা চলে আসছে খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের মুবারক যুগ থেকে। দীনের সহীহ তালীমের এই স্রোতধারা হয়ত যুগচাহিদার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন গ্রহণ করবে, কিন্তু সহীহ তালীমের ব্যবস্থা কিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ায় অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

দ্বীনী শিক্ষার এই মারকাযগুলোকে আজ বাংলাদেশের কোনো কোনো সমালোচক ভুলবশত অসত্য বিশেষণে চিত্রায়িত করতে চান। এগুলোকে অপ্রয়োজনীয়, বেকার ও বেকারত্ব সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতার আখড়া ইত্যাকার কটুবাক্যে কালিমা লেপন করে এগুলোর ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। এটি বড়ই দুঃখজনক। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে টেনে জোড়াতালি দিয়ে বুঝাতে চান যে, এ সব মাদ্রাসায় পড়ে কোনো চাকরী নকরী পাওয়া যায় না, মনভরে টাকা-পয়সা কামাই করা যায় না, ইচ্ছামত চলাফেরা বা কাজকর্ম করা যায় না তাহলে এইসব প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমাজের কী লাভ? যে যাই মনে করুক বা বলুক, আমাদের মতে কওমী মাদ্রাসার বর্তমান এ শিক্ষাধারা দীনে ইসলামের হেফাজত, লালন ও প্রচার প্রসারের জন্য একটি অতীব জরূরী, বস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ কর্মসূচী। কওমী আলিমগণের জীবনে অভাব অনটন আছে, কিন্তু দুর্নীতি নেই। অনাহার অর্ধহার আছে, কিন্তু শেকায়েত বা চীৎকার নেই। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম দরদ, সম্প্রীতি, সহানুভূতি, পরমতসহিঞ্চুতা ও কল্যাণকামিতা আছে, কিন্তু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, পারষ্পরিক   হানাহানির কোনো কিছু নেই। নিম্মে কওমী মাদ্রাসা পড়ুয়াদের রুজি-রোজগার, কর্মসংস্থান, চিন্তাধারা, তাদের অভাব অনটনের হাকীকত, তাদের মধ্যকার ‘বেকারত্ব’, তাদের শিক্ষাদান-পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষেপে কয়েকটি  বুনিয়াদী বিষয় তুলে ধরা হল।       

- See more at: http://localhost/talimuddinsecond/singlepost.php?id=159#sthash.HsX7VTYE.dpuf

এ কথা দ্বিধাহীনভাবে সত্য যে, বর্তমান বাংলাদেশে দীন ও ইলমে দীনকে যথাসম্ভব বিশুদ্ধতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আমানতদারী রক্ষা করে ইসলামের নিখুঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দানের যে কার্যক্রম কওমী মাদ্রাসার মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে সেটি আল্লাহর শোকর তুলনামূলকভাবে অধিকতর শ্রেষ্ঠ, উম্মতের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অধিকতর ফলপ্রসূ। পদ্ধতিগতভাবে এ শিক্ষা ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে শুরু হলেও এ শিক্ষার মূলধারা চলে আসছে খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের মুবারক যুগ থেকে। দীনের সহীহ তালীমের এই স্রোতধারা হয়ত যুগচাহিদার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন গ্রহণ করবে, কিন্তু সহীহ তালীমের ব্যবস্থা কিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ায় অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

দ্বীনী শিক্ষার এই মারকাযগুলোকে আজ বাংলাদেশের কোনো কোনো সমালোচক ভুলবশত অসত্য বিশেষণে চিত্রায়িত করতে চান। এগুলোকে অপ্রয়োজনীয়, বেকার ও বেকারত্ব সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতার আখড়া ইত্যাকার কটুবাক্যে কালিমা লেপন করে এগুলোর ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। এটি বড়ই দুঃখজনক। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে টেনে জোড়াতালি দিয়ে বুঝাতে চান যে, এ সব মাদ্রাসায় পড়ে কোনো চাকরী নকরী পাওয়া যায় না, মনভরে টাকা-পয়সা কামাই করা যায় না, ইচ্ছামত চলাফেরা বা কাজকর্ম করা যায় না তাহলে এইসব প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমাজের কী লাভ? যে যাই মনে করুক বা বলুক, আমাদের মতে কওমী মাদ্রাসার বর্তমান এ শিক্ষাধারা দীনে ইসলামের হেফাজত, লালন ও প্রচার প্রসারের জন্য একটি অতীব জরূরী, বস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ কর্মসূচী। কওমী আলিমগণের জীবনে অভাব অনটন আছে, কিন্তু দুর্নীতি নেই। অনাহার অর্ধহার আছে, কিন্তু শেকায়েত বা চীৎকার নেই। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম দরদ, সম্প্রীতি, সহানুভূতি, পরমতসহিঞ্চুতা ও কল্যাণকামিতা আছে, কিন্তু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, পারষ্পরিক   হানাহানির কোনো কিছু নেই। নিম্মে কওমী মাদ্রাসা পড়ুয়াদের রুজি-রোজগার, কর্মসংস্থান, চিন্তাধারা, তাদের অভাব অনটনের হাকীকত, তাদের মধ্যকার ‘বেকারত্ব’, তাদের শিক্ষাদান-পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষেপে কয়েকটি  বুনিয়াদী বিষয় তুলে ধরা হল।       

- See more at: http://localhost/talimuddinsecond/singlepost.php?id=159#sthash.HsX7VTYE.dpuf

এ কথা দ্বিধাহীনভাবে সত্য যে, বর্তমান বাংলাদেশে দীন ও ইলমে দীনকে যথাসম্ভব বিশুদ্ধতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আমানতদারী রক্ষা করে ইসলামের নিখুঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দানের যে কার্যক্রম কওমী মাদ্রাসার মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে সেটি আল্লাহর শোকর তুলনামূলকভাবে অধিকতর শ্রেষ্ঠ, উম্মতের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অধিকতর ফলপ্রসূ। পদ্ধতিগতভাবে এ শিক্ষা ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে শুরু হলেও এ শিক্ষার মূলধারা চলে আসছে খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের মুবারক যুগ থেকে। দীনের সহীহ তালীমের এই স্রোতধারা হয়ত যুগচাহিদার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন গ্রহণ করবে, কিন্তু সহীহ তালীমের ব্যবস্থা কিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ায় অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

দ্বীনী শিক্ষার এই মারকাযগুলোকে আজ বাংলাদেশের কোনো কোনো সমালোচক ভুলবশত অসত্য বিশেষণে চিত্রায়িত করতে চান। এগুলোকে অপ্রয়োজনীয়, বেকার ও বেকারত্ব সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতার আখড়া ইত্যাকার কটুবাক্যে কালিমা লেপন করে এগুলোর ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। এটি বড়ই দুঃখজনক। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে টেনে জোড়াতালি দিয়ে বুঝাতে চান যে, এ সব মাদ্রাসায় পড়ে কোনো চাকরী নকরী পাওয়া যায় না, মনভরে টাকা-পয়সা কামাই করা যায় না, ইচ্ছামত চলাফেরা বা কাজকর্ম করা যায় না তাহলে এইসব প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমাজের কী লাভ? যে যাই মনে করুক বা বলুক, আমাদের মতে কওমী মাদ্রাসার বর্তমান এ শিক্ষাধারা দীনে ইসলামের হেফাজত, লালন ও প্রচার প্রসারের জন্য একটি অতীব জরূরী, বস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ কর্মসূচী। কওমী আলিমগণের জীবনে অভাব অনটন আছে, কিন্তু দুর্নীতি নেই। অনাহার অর্ধহার আছে, কিন্তু শেকায়েত বা চীৎকার নেই। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম দরদ, সম্প্রীতি, সহানুভূতি, পরমতসহিঞ্চুতা ও কল্যাণকামিতা আছে, কিন্তু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, পারষ্পরিক   হানাহানির কোনো কিছু নেই। নিম্মে কওমী মাদ্রাসা পড়ুয়াদের রুজি-রোজগার, কর্মসংস্থান, চিন্তাধারা, তাদের অভাব অনটনের হাকীকত, তাদের মধ্যকার ‘বেকারত্ব’, তাদের শিক্ষাদান-পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষেপে কয়েকটি  বুনিয়াদী বিষয় তুলে ধরা হল।       

- See more at: http://localhost/talimuddinsecond/singlepost.php?id=159#sthash.HsX7VTYE.dpuf

এ কথা দ্বিধাহীনভাবে সত্য যে, বর্তমান বাংলাদেশে দীন ও ইলমে দীনকে যথাসম্ভব বিশুদ্ধতা, নির্ভরযোগ্যতা ও আমানতদারী রক্ষা করে ইসলামের নিখুঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দানের যে কার্যক্রম কওমী মাদ্রাসার মাধ্যমে সম্পাদিত হচ্ছে সেটি আল্লাহর শোকর তুলনামূলকভাবে অধিকতর শ্রেষ্ঠ, উম্মতের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অধিকতর ফলপ্রসূ। পদ্ধতিগতভাবে এ শিক্ষা ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে শুরু হলেও এ শিক্ষার মূলধারা চলে আসছে খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের মুবারক যুগ থেকে। দীনের সহীহ তালীমের এই স্রোতধারা হয়ত যুগচাহিদার প্রেক্ষিতে কখনো কখনো কাঠামোগত কোনো পরিবর্তন গ্রহণ করবে, কিন্তু সহীহ তালীমের ব্যবস্থা কিয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ায় অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

দ্বীনী শিক্ষার এই মারকাযগুলোকে আজ বাংলাদেশের কোনো কোনো সমালোচক ভুলবশত অসত্য বিশেষণে চিত্রায়িত করতে চান। এগুলোকে অপ্রয়োজনীয়, বেকার ও বেকারত্ব সৃষ্টিকারী, সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতার আখড়া ইত্যাকার কটুবাক্যে কালিমা লেপন করে এগুলোর ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। এটি বড়ই দুঃখজনক। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে টেনে জোড়াতালি দিয়ে বুঝাতে চান যে, এ সব মাদ্রাসায় পড়ে কোনো চাকরী নকরী পাওয়া যায় না, মনভরে টাকা-পয়সা কামাই করা যায় না, ইচ্ছামত চলাফেরা বা কাজকর্ম করা যায় না তাহলে এইসব প্রতিষ্ঠান দিয়ে সমাজের কী লাভ? যে যাই মনে করুক বা বলুক, আমাদের মতে কওমী মাদ্রাসার বর্তমান এ শিক্ষাধারা দীনে ইসলামের হেফাজত, লালন ও প্রচার প্রসারের জন্য একটি অতীব জরূরী, বস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ কর্মসূচী। কওমী আলিমগণের জীবনে অভাব অনটন আছে, কিন্তু দুর্নীতি নেই। অনাহার অর্ধহার আছে, কিন্তু শেকায়েত বা চীৎকার নেই। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম দরদ, সম্প্রীতি, সহানুভূতি, পরমতসহিঞ্চুতা ও কল্যাণকামিতা আছে, কিন্তু চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, পারষ্পরিক   হানাহানির কোনো কিছু নেই। নিম্মে কওমী মাদ্রাসা পড়ুয়াদের রুজি-রোজগার, কর্মসংস্থান, চিন্তাধারা, তাদের অভাব অনটনের হাকীকত, তাদের মধ্যকার ‘বেকারত্ব’, তাদের শিক্ষাদান-পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষেপে কয়েকটি  বুনিয়াদী বিষয় তুলে ধরা হল।       

- See more at: http://localhost/talimuddinsecond/singlepost.php?id=159#sthash.HsX7VTYE.dpuf

Leave a comment